Category: চিন্ত-ভাবনা
-

বাংলাদেশের শিল্পসাহিত্য-সিনের একটু মেটা-ক্রিটিসিজম
১) বাংলাদেশে দেখি আর্ট/লিটারেচার পর্যালোচনা মানে খালি বিশেষণ আর বিশেষণ। কিন্তু বিশেষণের প্রয়োগের কোনো জাস্টিফিকেশন নাই। কাজের গঠন/প্রেক্ষাপট/পদ্ধতি/শৈলী/মাধুর্য/সিনট্যাক্স কোনো কিছু নিয়াই ফর্মাল আলোচনা নাই। অনেক অনেক গ্রেট আর গ্রাউন্ডব্রেকিং ব্যাপার-স্যাপার। আবছায়া, ধোয়াধোয়া, মিস্টিফিকেশন। ইনফর্মাল অভিব্যক্তি ইটসেল্ফ সমস্যা না। সাধারণ দর্শক/শ্রোতা/পাঠক/ভোক্তা ইনফর্মাল হইতেই পারে। কিন্তু, ইনফর্মাল কাজকাম তো ফর্মাল ভান ধরে করা যাবে না। এইটা আত্মপ্রবঞ্চনা।…
-

জুলাই -পদ -পদবী
আমাদের দেশে পদ-পদবী পাওয়াটা দায়িত্ব প্রাপ্তি হিসেবে দেখা হয় না, দেখা হয় ফায়দা বা পুরষ্কার প্রাপ্তি হিসেবে। ফলে গণ-আন্দোলনের মাঝে দিয়ে উঠে আসা গুটিকয়েক তরুণ ছাত্র-নেতারা যে পদ-পদবী পাচ্ছে সেটাকেও সেভাবে দেখা হবে। এভাবে দেখলে বিপদটা হলো আন্দোলন তো তারা একা করেনি, জীবন-যৌবন বাজি রেখেছে অসংখ্য তরুণ। তাই যুদ্ধের শেষে ‘লুটের মাল ভাগাভাগি হচ্ছে’ এমন…
-
আর্টিস্ট সত্ত্বা নিয়া তিনটা ভাবনা
১) গড়পড়তা আর্টিস্ট সমাজের একটা নাকি কান্না আছে, খুবই বিরক্তিকর। সে যেন এক এনডেঞ্জার্ড স্পিসিস, যারে অভয়ারণ্যে রেখে বাঁচায়া রাখতে হবে। কান্নাটা বেশি বিরক্তিকর কারণ আর্টিস্ট হিসেবে যেই স্পেশাল ট্রিটমেন্ট সে চায় তা সে একটা সাধারণ মানুষ হিসেবেই পাওয়ার শতভাগ অধিকার রাখে। কিন্তু সে সাধারণ মানুষের কাতারে আসবে কেন? সে তো স্পেশাল। নো ব্রো, তুমি…